১০টি ফেরাউনের চেয়েও হাসিনা দুর্ধর্ষ জুলুমকারী -কসবায় হাসনাত আবদুল্লাহ

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

গত দেড় দশকে যে জুলুম হয়েছে এবং আমি বনাম ডামি ইলেকশন হয়েছে। দিনের ভোট রাতে হয়েছে। কবর থেকে এসেও ভোট দিয়ে গেছে। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় সে সময় কোন জেনারেলকে পদত্যাগ করতে দেখিনি, কোন সচিব, কোন ডিসিকেও পদত্যাগ করতে দেখি নাই। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে ৫ আগস্ট ছাত্র ও নাগরিকদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আওয়ামী বিরোধী অবন্থান নিয়েছেন। আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বলতে চাই আপনারা জনগনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবেন না। সোমবার (২৪ মার্চ) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়োজনে কসবা মহিলা কলেজ মাঠে জুলাই অভ্যূথানে শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত যোদ্ধা সকল শ্রেণী পেশার মানুষের প্রতি সম্মানে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথাগুলি বলেছেন এনসিপির দক্ষিনাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

আওয়ামী লীগের সময়টাকে আওয়ামী জাহেলিয়াত আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, আইয়ামে জাহিলিয়াতের সময় যে ভাবে বিশৃংখল পরিবেশ ছিল, গুম-খুন, হত্যা-নিপীড়ন আর নির্যাতন করত ঠিক একই ভাবে আওয়ামী লীগের আমলেও সব অপকর্মগুলি বিদ্যমান ছিল। তিনি বলেন, ১০টি ফেরাউনকেও যদি একত্রে করা হয়, তাও হাসিনার মত এত বড় দুর্ধর্ষ এত জুলুমকারী হতে পারবে না।
তিনি সকল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনার রাজনীতির আদর্শ যেটাই হোক না কেন আপনি যদি ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দলের অংশ হয়ে থাকেন তাহলে পরবর্তী বাংলাদেশে আপনার এবং আমার সহ অবস্থান থাকবে। যারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে কোন ভাবে পূর্ণবাসন করতে চাইবে এবং এখন যারা ভাল আওয়ামী লীগ এবং খারাপ আওয়ামী লীগের বয়ান দিচ্ছেন আমরা তাদেরকে শত্রু মনে করব, তাদেরকে আওয়ামী লীগের বন্ধু মনে করব।
কসবা উপজেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক মো. মনিরুল হকের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন, এনসিপির দক্ষিনাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ, ডা. আশরাফুল ইসলাম সুমন, সংগঠক জিহান মাহমুদ। ইফতার মাহফিলে এনসিপির দলীয় নেতা-কর্মীসহ বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম, হেফাজত ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Post Under